মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে

উ. কোরিয়ার সীমান্তে লাউডস্পিকার সম্প্রচার বন্ধ করল দ. কোরিয়া

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ জুন ২০২৫, ১৬:০৯

উত্তর কোরিয়া সীমান্তে স্থাপন করা লাউডস্পিকার দিয়ে প্রচারণা ও কে-পপ সঙ্গীত সম্প্রচার স্থগিত করেছে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানিয়েছে। আজ (১১ জুন) বুধবার দেওয়া এক ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে প্রায় এক বছর আগে এই সম্প্রচার পুনরায় শুরু করা হয়েছিল।

এটি দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং-এর একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ, যিনি এই মাসেই ক্ষমতায় এসেছেন।

তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘোষণা দেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংলাপ পুনরায় শুরু করা হবে, সীমান্তে লাউডস্পিকার সম্প্রচার বন্ধ করা হবে এবং পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে স্থগিত হওয়া সামরিক চুক্তি পুনর্বহাল করা হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো ‘উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্কের ওপর জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা।’

দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়োনহাপ বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, এক সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আদেশের ভিত্তিতে লাউডস্পিকার সম্প্রচার স্থগিত করা হয়েছে।’

গত বছর জুলাইয়ে দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তে ২৪ ঘণ্টার প্রচারাভিযান পুনরায় শুরু করে।

সেই সময় দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানায়, পিয়ংইয়ংয়ের পাঠানো আবর্জনাভর্তি বেলুনের জবাবে এই সম্প্রচার শুরু করা হয়েছিল।

উত্তর কোরিয়া তখন বলেছিল, দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের—বিশেষ করে পিয়ংইয়ং থেকে পালিয়ে আসা পূর্বতন উত্তর কোরিয়ান ও মানবাধিকার কর্মীদের—প্রচার অভিযানের প্রতিক্রিয়াতেই তারা ওই বেলুন পাঠিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার এসব কর্মী প্রায়ই উত্তর কোরিয়া বিরোধী লিফলেট ও বিভিন্ন সামগ্রী বেলুনে ভরে সীমান্ত পার করে পাঠিয়ে দেন।

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং বলেন, ‘সেরা নিরাপত্তা হলো এমন এক শান্তি, যেখানে লড়াইয়ের প্রয়োজন পড়ে না।’ 

তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিবেশী ও প্রতিদ্বন্দ্বী উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বহুদিনের সহিংস সম্পর্কের প্রেক্ষাপট।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর