মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

ইবির সাংবাদিক সংগঠন ভেঙে দেয়ার হুমকি দিলেন ক্যাম্পাস সাংবাদিক অভি

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১ মে ২০২৫, ১৮:২১

ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিক সংগঠন ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) রিপোর্টার্স ইউনিটি’কে “আর থাকবে না” বলে হুঙ্কার দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে। অভিযুক্ত সাংবাদিক ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ‘দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ’ ক্যাম্পাস প্রতিনিধি রানা আহমেদ অভি।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রলীগের কার্যালয় ভাঙ্গার পর জুলাই আন্দোনকারীদের ‘দুর্বৃত্ত’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ও হলে অবৈধভাবে অবস্থান করার কারণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ক্যাম্পাস সাংবাদিক ওয়াসিফ আল আবরারকে শাহ আজিজুর রহমান হলে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ওইদিন সাংবাদিক অভি ঘটনাজুড়ে উপস্থিত ছিলেন এবং এক ভিডিয়োতে ‘রিপোর্টার্স ইউনিটি থাকবে না’ বলে হুঙ্কার দিতে দেখা যায়।

জানা গেছে, সাংবাদিক অভি নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে ক্যাম্পাসে অনিবন্ধিত সংগঠন ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরাম’।

এ বিষয়ে ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সভাপতি ফারহানা নওশীন তিতলী বলেন, “একজন ক্যাম্পাস সাংবাদিক হয়ে কোনো নিবন্ধিত ও স্বীকৃত সংগঠন ‘থাকবে না’ বলে হুমকি দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। এমন একটি স্বীকৃত সংগঠনের প্রতি প্রকাশ্যে এমন হুমকি ব্যক্তি বিশেষের অসহিষ্ণুতা ও অনৈতিকতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এ ধরণের বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতার পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতায় চরম হুমকি তৈরি করে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। পাশাপাশি সাংবাদিক সমাজের স্বার্থে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এ ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করবো।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়ার জন্য মুঠোফোনে একাধিকবার কল করার পরেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে খুদে বার্তা দেওয়ার পরেও কোনো রেসপন্স পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজামান বলেন,“ আমি ভিডিও একটা দেখেছি। একজন সাংবাদিক হয়ে এরকম কথা বলতে পারে না। ঘটনার সার্বিক বিষয়ে হল প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মিলে ২ টা তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। ওখানে সবকিছু পূঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে আলোচনা হবে।”


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর