মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

উপদেষ্টা

সরকারের প্রচেষ্টা হচ্ছে মানবাধিকার ও শ্রমিক অধিকার সমুন্নত রাখা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
৩০ এপ্রিল ২০২৫, ১৫:০১

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সরকারের প্রচেষ্টা হচ্ছে মানবাধিকার এবং শ্রমিক অধিকার সমুন্নত রাখা।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘মহান মে দিবস’ এবং ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৫’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

তিনি বলেন, এবার মহান মে দিবস বড় পরিসরে করা হচ্ছে। শ্রমিকদের সঙ্গে মালিকদের যে গ্যাপটা, এই গ্যাপটা, বিরোধটা আমরা কমাতে চাচ্ছি। আমাদের অনেক ভালো ভালো মালিক আছেন, সবাই একরকম নন। কিছু জায়গায় তাদের উদ্দেশ্যে মনে হয় যে একটা কিছু করে টাকা-পয়সা নেওয়া, টাকা-পয়সার মালিক হওয়া। আপনারা জানেন যে সংস্কার কমিশন কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে, আমরা এগুলো দেখবো। আমাদের প্রচেষ্টা হচ্ছে কীভাবে শ্রমিকদের মান উন্নয়ন করা যায়। প্রতিদিনই যে সমস্যার মুখোমুখি হই, সেগুলো সমাধান করতে করতে সময় চলে যায়। আমি বলবো মে দিবস করার উদ্দেশ্যটাই হলো, আমাদের সচিব বলেছেন, এটা শ্রমিকদের জন্য ঈদ। সরকারের প্রচেষ্টা হচ্ছে যেন মানবাধিকার এবং শ্রমিক অধিকার সমুন্নত থাকে। আমি নিজেও আইএলও-তে গিয়ে এই কথাগুলো বলেছি।

এজন্য শ্রমিকের সহযোগিতা দরকার, মালিকের সহযোগিতা দরকার — এটা শুধু শ্রম মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়। সব মন্ত্রণালয় মিলে যেন একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারি, এজন্য একটি টিম করা উচিত। আমরা কর্মসংস্থান উইং তৈরির চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন বাংলাদেশ আমেরিকান টোব্যাকো নিয়ে আমি কথা বলেছি। আশা করি তারাও আইনের আওতায় আসবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে দেখেছি একটা স্লোগান ছিল, বিশেষ করে সমাজতান্ত্রিক ও বামপন্থী ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ এবং একটি হাতুড়ির প্রতীক ছিল। আমার মনে হতো দুনিয়ার মধ্যে রেখে হাতুড়ি দিয়ে পেটাপেটি করবে। আমরা ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ বলবো না, বলবো ‘দুনিয়ার মজদুর-মালিক এক হও। ’ এবার আমাদের স্লোগান হচ্ছে, শ্রমিক-মালিক এক হয়ে গড়বো এ দেশ নতুন করে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর