মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

পানি পান করে ক্ষুধা মেটাতাম, বলছেন অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ এপ্রিল ২০২৫, ১৭:৪২

অভিনয়ে দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে বলিউডে নিজের স্থান করে নিয়েছেন নুসরাত ভারুচা। সম্প্রতি তিনি তার পরিবারের দুঃসময়ের স্মৃতি চারণ করেছেন।

অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি তার পরিবারের একমাত্র আয়রোজগারের সদস্য ছিলেন। টাকা, পয়সা অত্যন্ত মেপে বুঝে খরচ করতেন। বিশেষ করে কলেজে পড়ার সময় অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে মাঝে মধ্যে পানি পান করে দিন কাটিয়েছেন।

এক সাক্ষাৎকারে নুসরত ভারুচা জানিয়েছেন, ‘খুব আগে থেকেই আমি ঠিক করে নিয়েছিলাম যে প্রতি মাসে আমি কত টাকা খরচ করব। আমার বেসিক চাহিদাগুলো কী কী সেটাও ঠিক করে নিয়েছিলাম। আর আয়ের যে টাকা বেঁচে থাকে সেটা স্বাভাবিকভাবেই বিনিয়োগ করি না হয় জমাই। টাকা কখনও আমার অ্যাকাউন্টে আসে না। আমার অ্যাকাউন্টেন্টদের নির্দেশ দেওয়া আছে তারা যেন সেটা সোজা আমার ওয়েলথ ম্যানেজারের কাছে পাঠিয়ে দেন বিনিয়োগ করার জন্য।’

তিনি আরও জানান, ‘আমার বাবার বয়স প্রায় ৭০ বছর, মায়ের ৬২। আমার দাদির বয়স ৯২ বছর। ওনারা সবাই আমার আয়ের উপর নির্ভরশীল। আমার ব্যাকআপ থাকা খুব জরুরি। ওনাদের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য আমাকে হিসেব করে চলতে হয়।’

কলেজে পড়ার সময়ে আর্থিক অনটনের স্মৃতি চারণ করে নুসরত বলেন, ‘আমি কলেজে পড়ার সময় আমাদের খুব আর্থিক অনটন ছিল। বাবার ব্যবসায় তেমন আয় হতো না। তাই আমি খুব বুঝে ভেবে টাকা খরচ করতাম। কলেজ লাইফে আমি ৫ বছর দিনে ৮ টাকার বেশি খরচ করতাম না, আর সেটাও যাতায়াতের জন্য। ট্রেন বাসে করে কলেজ যেতাম আর ফিরে আসতাম। কলেজে ফ্রি ছিল শুধু খাবার পানি। আমার ক্ষুধা পেলে আমি পানি খেতাম। বাবা যে আমায় টাকা দিতে চাইত না সেটা নয়। কিন্তু আমি সচেতন ভাবেই সেটা নিতাম না।’


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর