মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

রমজানে খাদ্যশস্য বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল করতে ডিসিদের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১২:৪৮

পবিত্র রমজান মাসে বিশাল পরিমাণ খাদ্যশস্য অত্যন্ত সুলভ মূল্যে এবং ক্ষেত্র বিশেষে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। এই কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পালনে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তিন দিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম কার্য-অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাসুদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, আগামী মার্চ ও এপ্রিল এই দুই মাসে প্রায় সাত লাখ টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে দেড় লাখ টন করে দুই মাসে তিন লাখ টন চাল খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে বিতরণ করা হবে।

৫০ লাখ পরিবার প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে ৩০ কেজি করে পাবে। টিসিবির মাধ্যমে আরও ৫০ লাখ টন করে দুই মাসে এক লাখ টন চাল যাবে। ওএমএসের মাধ্যমে যাবে আরও এক লাখ টন।

তিনি বলেন, ঈদের সময় এক কোটি পরিবার ১০ কেজি করে চাল পাবে একদম ফ্রি (বিনামূল্যে)। এমন আরও কিছু কার্যক্রম রয়েছে। এসব চাল বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে বড় সহায়তা করবে। এসব বিতরণ কার্যক্রম বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ করবে। কিন্তু এর প্রধান তদারকি করবেন ডিসিরা।

উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটনে এসব কার্যক্রম আগে নিবিড়ভাবে তদারকি হতো না। আমরা ঢাকার সংশ্লিষ্টদের বিশেষভাবে নির্দেশনা দিয়েছি বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করার জন্য। ঢাকা বিভাগের কমিশনারের সঙ্গে আলাদাভাবে মিটিং করেছি, আবারো মিটিং করব। এ বিভাগের যে ১২২টি বিক্রয়কেন্দ্র এবং ৭০টি ট্রাকসেল আছে, টিসিবি ছাড়াও, প্রয়োজনে সেগুলো ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে তদারকি করতে বলেছি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর