মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে

লক্ষ্মীপুরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান

তছলিমুর রহমান, লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত:
২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৭:০৪

লক্ষ্মীপুর-ঢাকা মহাসড়কের দুপাশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দালাল বাজার এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার।

এ সময় পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরচিালক মো. জসিম উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জামশেদ আলম রানা, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভি দাশ ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোন্নাফসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই অভিযান চলবে আগামী এক সপ্তাহ ধরে। পরে পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি উপজেলায় অভিযান শুরু করার কথা বলেন জেলা প্রশাসক। প্রথম দিনে দালাল বাজারে প্রায় ৫ শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এর আগে এক সপ্তাহ সময় দিয়ে জেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে সরকারী জায়গা থেকে স্থাপনা সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হয়।সময়সীমা শেষে রোববার সকাল থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। প্রথম দফায় দালাল বাজার থেকে চন্দ্রগঞ্জের পূর্ব বাজার পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এরপর রায়পুর-রামগঞ্জ ও রামগতি এবং কমলনগর উপজেলায় অভিযান চালানো হবে।

এই অভিযানে প্রশাসনকে স্বাগত জানালেও স্থানীয় ব্যবসায়ী পারভেজ হোসেন ও মাসদু আলমসহ অনেকেই বলছেন, উচ্ছেদের পর যেন আবারো নতুন করে স্থাপনা তৈরি করতে না পারে, সেটা প্রশাসন নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই এই উচ্ছেদ অভিযান বাস্তবায়ন হবে বলে আশা করেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের দু-পাশে অবৈধ স্থাপনা থাকায় একদিকে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে সড়ক দূর্ঘটনা বাড়ছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকেীশলী মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সম্পত্তি দখল করে বহুতল ভবন থেকে শুরু করে দোকানপাট গড়ে উঠেছে। পুরো জেলায় ৫ হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। অবৈধদের তালিকা তৈরি করে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এটি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন বলেন, সড়কের দুপাশে দখল করে ব্যবসা-বানিজ্য করার কারনে দীর্ঘযানজেটর সৃষ্টি হয়। সড়ক দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়। তাই উচ্ছেদ অভিযানে আইনশৃংখলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। যেন কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। আইনশৃংখলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সে ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেন, সপ্তাহব্যাপী উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। সড়ক ও জনপথ, পানি উন্নয়ন বোর্ড বা জেলা প্রশাসনের কোন সম্পত্তিতে কোন অবৈধ স্থাপনা থাকবেনা। যত বহুতল ভবন বা স্থাপনা হয়েছে সব উচ্ছেদ করা হবে। এই উচ্ছেদ কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন জেলা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে আ্ইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। পাশাপাশি প্রত্যেকটি বিভাগের কর্মকর্তারা রয়েছে। প্রথম দফায় দেড় হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ শেষে দ্বিতীয় দফার কাজ শুরু হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর