মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

জাতিসংঘের সংস্থাকে নিষিদ্ধ করল ইসরায়েলি পার্লামেন্ট

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৯ অক্টোবর ২০২৪, ১৫:৫৫

ফিলিস্তিনে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী জাতিসংঘের সংস্থা ইউনাইটেড ন্যাশনস এজেন্সি রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্ক এজেন্সি ফর প্যালেস্টেনিয়ান রিফিউজি (ইউএনআরডাব্লিউএ) এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বিল পাস করেছে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেট।

বিলে বলা হয়েছে, ইউএনআরডাব্লিউএ-এর সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করছে ইসরায়েল।

সংস্থাটি ইসরায়েলের কাছ থেকে যেসব সহযোগিতা পেতো এই বিল কার্যকর হওয়ার পর থেকে সেসব পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। ইসরায়েলের ভৌগলিক সীমার ভেতর প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, কোনো পরিষেবা প্রদান এবং প্রকাশ্য বা গোপন কোনো ধরনের কার্যক্রম চালাতে পারবে না সংস্থাটি। পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত ইউএনআরডাব্লিউএ-এর সদর দপ্তরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সংস্থাটি যদি কার্যক্রম চালু করতে চায় তবে তাদের সব কার্যক্রমে ইসরায়েলের অনুমতি নিতে হবে।

এছাড়া বিলটিতে বলা হয়েছে ইউএনআরডাব্লিউএ-এর কর্মীদের এখন থেকে কূটনৈতিক ভিসার পরিবর্তে সাধারণ ভিসা দেবে ইসরায়েল।

ইসরায়েলি আগ্রাসনে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের আশ্রয়, খাদ্য সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইউএনআরডাব্লিউএ। সংস্থাটি কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের ওপর নির্ভরশীল। ১৯৬৭ সালে ইসরায়েলের সরকারের সঙ্গে জাতিসংঘের চুক্তি অনুসারে সংস্থাটি কার্যক্রম পরিচালনা চালনা করে আসছিল।

গত ৭ দশকেরও বেশি সময় ধরে বেকারত্ব ও দারিদ্রপীড়িত ফিলিস্তিনিদের বেঁচে থাকার প্রধান অবলম্বন জাতিসংঘের এই সংস্থা। এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে তার ব্যাপক প্রভাব পড়বে গাজা এবং পশ্চিম তীরে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের ওপর।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর