মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

ভারতের অভ্যন্তরে নিহত রেজাউলের ফের ময়নাতদন্ত হবে : বিজিবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৬ অক্টোবর ২০২৪, ১৩:০০

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার দীগলবাঘ এলাকা সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক মো. রেজাউল করিম কাঁটাতার পার হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে মৃত্যুবরণ করেন। দুই দিন পর আজ (২৬ অক্টোবর) শনিবার তার মরদেহ হস্তান্তর করবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ভারতে রেজাউলের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলেও বাংলাদেশে পুনরায় তার মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বের করা হবে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার সকালে বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান। বিজিবি জানায়, শনিবার নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) অধীনস্থ বিজয়পুর বিওপির বিপরীতে ২০০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বাগমারা এলসি দিয়ে নেত্রকোণা জেলা পুলিশের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মরদেহটি হস্তান্তর সম্পন্ন হবে। মরদেহটি পাওয়ার পর বাংলাদেশে পুনরায় সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

মৃত মো. রেজাউল করিম শেরপুর সদর উপজেলার আলিনাপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে বলে নিশ্চিত করেছে শেরপুর সদর থানা। এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৪ অক্টোবর ধোবাউড়া সীমান্তে গুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর রেজাউল করিম (২৬) নামের এক যুবকের মরদেহ বিএসএফ নিয়ে যায়। রেজাউল ওষুধ ব্যবসায়ী ছিলেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর