মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

প্রধানমন্ত্রী

জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছি

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
২৯ মে ২০২৪, ১৫:৪১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে আমরা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছি। শান্তিরক্ষা মিশন ছাড়াও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতেও আমরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ ও অবদান রাখছি। ১৯৯৭ সালে আমরা জাতিসংঘে কালচার অব পিস অর্থাৎ শান্তির সংস্কৃতি এই প্রস্তাব আমি উত্থাপন করি; যা ১৯৯৯ সালে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পরবর্তীতে জাতিসংঘ ২০০০ সালকে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব কালচার অব পিস হিসেবে ঘোষণা করে।

বুধবার (২৯ মে) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বরাবরের মতো এ বছরও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ কর্তৃক উত্থাপিত কালচার অব পিস বা শান্তিসংস্কৃতির প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে; যার মাধ্যমে শান্তিসংস্কৃতির প্রস্তাবের ২৫তম বর্ষ উদযাপিত হতে যাচ্ছে। অ্যাজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নে কালচার অব পিস প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য বলে আমার বিশ্বাস।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন বিশ্বের শোষিত-বঞ্চিত ও নির্যাতিত মানুষের দূত হিসেবে। তিনি বলতেন, বিশ্ব আজ দুই ভাগে বিভক্ত। তা হলো, শোষক ও শোষিত। আর আমি শোষিতের পক্ষে। তিনি সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি শোষিত মানুষের মুক্তির বার্তাবহক ও শান্তির দূত।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর