মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে

নোবিপ্রবি অপহৃত শিক্ষার্থী উদ্ধার

আবদুল্লাহ আল নাঈম , নোবিপ্রবি  

প্রকাশিত:
১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ২২:৪৯

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নাজমুল ইসলাম (২০) নামের এক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে তাঁর পরিবারের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার রাত আটটার পর ক্যাম্পাস থেকে শহরে আসার পথে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করে তাঁর পরিবার। 

 

সর্বশেষ তথ্যমতে, নাজমুলকে ঢাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান রিমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, অপহরণের শিকার নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে সায়েদাবাদ কুর্মিটোলা স্কুলের সামনে থেকে ইমনের মামা উদ্ধার করেন। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হবে বলে জানিয়েছে ইমনের বাবা। 

 

নাজমুল ইসলাম ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ইনফরমেশন কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই) বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায়। তাঁর বাবা আবুল ফারাহ বলেন, সর্বশেষ মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে ছেলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী কথা বলেন। এর পর থেকে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বুধবার বিকেল চারটার দিকে ছেলের ব্যবহৃত মুঠোফোন থেকে তাঁর মায়ের ফোনে একটি কল আসে। ফোন রিসিভ করতেই অন্য এক ব্যক্তি তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করতে বলেন। তাঁর স্ত্রী হোয়াটসঅ্যাপ চালু করার পর খুদে বার্তা পাঠিয়ে ২০ হাজার টাকা ‍মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ছেলেকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। একই সময় ছেলেকে বেঁধে রাখার কয়েকটি ছবিও হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়। এরপর তাঁরা ছেলের ক্ষতি না করার জন্য অনেক অনুরোধ করেন এবং ধারদেনা করে দুই দফায় ছেলের বিকাশ নম্বরে ১৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ হিসেবে পাঠান। 

 

নাজমুলের বাবা পেশায় একজন অটোরিকশা চালক। তিনি আরও বলেন, গত বুধবার বিকেলে প্রথমে কচুয়া থানায় যান তিনি। সেখান পুলিশ তাঁকে নোয়াখালী যাওয়ার পরামর্শ দিলে তিনি নোয়াখালীর সুধারাম থানায় যান। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার বিস্তারিত জানানোর পর তাঁরা ছেলের মুঠোফোন নম্বরের সূত্র ধরে জানান নম্বরটি ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় রয়েছে। পরে মোহাম্মদপুরে ছেলের বন্ধু কারা থাকেন, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য থানা থেকে তাঁকে পরামর্শ দেওয়া হয়। 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুধারাম থানার ওসি মীর জাহেদুল হক বলেন, ওই শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে বিভিন্ন জনের কাছে ধারদেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছেন। এ কারণে নানা অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে এ ঘটনায় থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেনি নাজমুলের পরিবার। ঘটনাটি অপহরণ কি না, সে বিষয়ে তাঁরা খতিয়ে দেখছেন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর