মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর

রাবি অধ্যাপক শামসুজ্জোহা এছামী আর নেই

রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
২০ জানুয়ারী ২০২৪, ১২:৫৭

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা এছামী মারা গেছেন। শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় বুকে ব্যথাজনিত সমস্যার কারণে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে (রামেক) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।

শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে পাবনার চাটমোহর তাঁর নিজ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

অধ্যাপক শামসুজ্জোহা এছামী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি রাবি থেকে ১৯৯৯ সালে স্নাতক ও ২০০০ সালে স্নাতকোত্তর পাস করেন।
তিনি ২০০২ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাবির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। তারপর ২০০৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সহকারী অধ্যাপক, ২০১০ সালের ১৯ জুলাই সহযোগী অধ্যাপক ও ২০১৫ সালের ১৭ জুন অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।

অধ্যাপনা জীবনে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সহকারী হাউজ টিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর ২০টার অধিক গবেষণা প্রবন্ধ দেশ-বিদেশে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৯৭ সালে সৈয়দ আমীর আলী হল থেকে গোল্ড মেডেল অর্জন করেন। অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা এছামী পশ্চিম বাংলা ইতিহাস সংসদ, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ ও বাংলাদেশ ইতিহাস একাডেমির আজীবন সদস্য ছিলেন।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ফায়েক উজ্জামান বলেন, অধ্যাপক এছামী বিভাগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন শিক্ষক ও গবেষক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে বিভাগের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে। তাঁর এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর