প্রকাশিত:
১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৮
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল, নালা ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হয়।
এই কর্মসূচির সূচনাকে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, ১৯৭০-এর দশকে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, সেটিই এখন নতুন রূপে ফিরে এসেছে।
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খালে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। এর মাধ্যমে দেশের ৫৪ জেলায় একযোগে খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সেচব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং জলাবদ্ধতা সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে। একই সঙ্গে অনেক খাল-নদী নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলাধার ও খাল পুনরুদ্ধার বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই উদ্যোগ সফল হলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং গ্রামীণ জীবনে নতুন গতি আসবে।
মন্তব্য করুন: