শনিবার, ৬ই জুন ২০২৬, ২২শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল

Dipa

প্রকাশিত:
১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৪

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা টানা ১৩ দিনে গড়িয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ। তবে এত বড় প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের পরও যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ অন্তত ৪৮ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের শাসনব্যবস্থাকে দ্রুত ভেঙে দেওয়া এবং ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটানো।

কিন্তু প্রায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধেও ইরানের সরকার ভেঙে পড়েনি। বরং দেশটি দ্রুত নতুন নেতৃত্বের ব্যবস্থা করে। খামেনির মৃত্যুর পর নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোজতবা খামেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখন নতুন কৌশল বা ‘প্ল্যান বি’ বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে।

এই পরিকল্পনায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলের কথা বলা হচ্ছে। প্রথম কৌশলটি হলো—ইরানের সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং তাদের বিদ্রোহকে উসকে দেওয়া। বিশেষ করে কুর্দি ও বালুচ গোষ্ঠীর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে ধরা হচ্ছে ‘দাহিয়া নীতি’। এই নীতির লক্ষ্য হলো শত্রু দেশের ভেতরে জনসমর্থন দুর্বল করে দেওয়া।

এ নীতির আওতায় বেসামরিক অবকাঠামোতে ধারাবাহিক হামলার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ তৈরি করা হয়, যাতে তারা সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা এই কৌশলেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

তাদের মতে, যুদ্ধ এখন কেবল সামরিক সংঘর্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং এটি ইরানের রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে দেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলে পরিণত হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর