মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

কলকাতায় মোমোর কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭, নিখোঁজ ২০

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৯

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার পূর্বাঞ্চলের আনন্দপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সোমবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় পাশাপাশি দুটি গুদামে এই আগুনের ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, আগুন লাগা গুদাম দুটির একটি একটি মোমো প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। সেখানে বিপুল পরিমাণ সফট ড্রিংকস ও শুকনো খাবারের প্যাকেট মজুত ছিল। স্থানীয় সময় রাত আনুমানিক তিনটার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

দমকল বিভাগের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে। তবে আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে সোমবার রাত পর্যন্ত তা পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার সকালেও আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, আগুন লাগার সময় গুদামে প্রায় ৩০ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলো সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধারকাজ চললেও এখনো তাদের কোনো খোঁজ মেলেনি।

প্রশাসন জানিয়েছে, ভিসেরা ও ফরেনসিক পরীক্ষার পর নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঘটনাটি নিয়ে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, “পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এত বড় দুটি গুদামে গভীর রাতে এত লোক থাকার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

অন্যদিকে, বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে নিয়মিত এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। কখনো বিস্ফোরণ, কখনো অবৈধ কারখানায় আগুন। গোটা রাজ্য যেন এক জতুগৃহে পরিণত হয়েছে।”

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে তদন্ত চলছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর