মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে নিহত ৮, নিখোঁজ ৮০

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৫২

ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ জাভায় শনিবার ভোরে সংঘটিত এক ভয়াবহ ভূমিধসে কমপক্ষে আটজন নিহত হয়েছেন। ৮০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট এই ভূমিধসটি জাভার পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলের দুটি গ্রামে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে আঘাত হানে। এতে বসতিপূর্ণ এলাকা মাটিচাপা পড়ে যায়। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবি’র মুখপাত্র আবদুল মুহারি নিশ্চিত করেছেন, এ ঘটনায় আটজন নিহত হয়েছেন।

তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, বহু বাসিন্দাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ৮২ জনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত বছরের শেষ দিকে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ১২০০ মানুষ নিহত এবং ২ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। পরিবেশবাদী ও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এসব বন্যা ও ভূমিধসে বন উজাড়ের বড় ভূমিকা রয়েছে। বন ধ্বংসের কারণে পাহাড়ি এলাকা থেকে প্রবল কাদার ঢল নেমে গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। পশ্চিম বান্দুংয়ের মেয়র জেজে রিচি ইসমাইল সাংবাদিকদের জানান, নিখোঁজদের সন্ধানে সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং স্বেচ্ছাসেবীরা যৌথভাবে কাজ করছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এলাকাটির ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত দুর্গম এবং মাটি এখনও অস্থির অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী সংস্থা জানিয়েছে, তারা হাতে খোঁড়াখুঁড়ি চালাচ্ছে, পানি পাম্প দিয়ে মাটি সরাচ্ছে এবং ড্রোন ব্যবহার করে নিখোঁজদের সন্ধান করছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর