মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাসে শোকসভা

প্রেস রিলিজ

প্রকাশিত:
২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:৪৪

‘গণতন্ত্র এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থে বেগম খালেদা জিয়ার অবিচল দৃঢ়তা তাকে আপসহীন নেতৃত্বে আসীন করেছে- অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ’

বাংলাদেশের সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাসে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ শে জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার ইউনিভার্সিটির বনানী ক্যাম্পাসের হলরুমে এই শোকসভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ, লেখক-গবেষক প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ।

ফ্যাকাল্টি অব কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ডিজটাল ইনোভেশন এর ডিন প্রফেসর ড. সৈয়দ আখতার হোসেন এর সভাপতিত্বে শোকসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক, অধিকারকর্মী শামসুল আলম লিটন ও ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আনিজা পারভিন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্মৃতিচারণ করেন ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির ডেপুটি ডিরেক্টর অবসরপ্রাপ্ত মেজর এনামুল করিম।
শোকসভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী জাহিদুল হক জুবায়ের। মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। তাঁর সম্মানে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

শোকসভায় বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের ওপর সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন আরেক শিক্ষার্থী আশফিয়া মাশিয়াত ইসলাম।

প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন সময়ে ও সংকটকালে শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট নাগরিকদের পরামর্শ নিতেন। বেগম জিয়ার ‘আপসহীন ও দেশনেত্রীর’ উপাধি পাওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে তিনি সর্বদা ছিলেন অবিচল। ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, ১৯৮৬ সালে এরশাদের অধীনে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকা, রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় গণতন্ত্র চালু করা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া- এসব কিছুই তিনি করেছেন জাতীয় স্বার্থে। সবকিছুর ওপর জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিতেন বেগম জিয়া। তিনি সবসময় বিশ্বাস করতেন দেশের বাইরে আমাদের বন্ধু আছে কোন প্রভু নেই। দেশই তার শেষ ঠিকানা। আমৃত্যু তিনি তা প্রমাণ করে গেছেন।

রাষ্ট্র পরিচালনায় বেগম জিয়ার অবিচল নীতি, আদর্শ ও দৃঢ়তা শিক্ষার্থীদের মননে গেঁথে দিতে তিনি শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার পরামর্শ দেন। তাহলেই বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হবে বলে বিশ্বাস করেন প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শামসুল আলম লিটন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একজন আদর্শিক নেতৃত্বের সবকিছুই লালন করেছেন আজীবন। চরম নির্যাতন, ব্যক্তিগত কষ্ট, কারাবারণ সন্তান হারানোর বেদনা কোন কিছুই তাকে জাতীয় স্বার্থ থেকে একবিন্দুও টলাতে পারেনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আনিজা পারভিন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া নারীর উন্নয়ন ও তাদের শিক্ষায় যুগান্তকারী কিছু পদেক্ষেপ নিয়েছেন। যার ফলে নারীরা আজ শিক্ষায়, গবেষণায়, নেতৃত্বে তাদের যথাযথ জায়গা করে নিতে পারছেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর