মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ আমন্ত্রণ: পাকিস্তান আগ্রহী, সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি ভারত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৬

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাকে কেন্দ্র করে চলমান বৈশ্বিক উত্তেজনা প্রশমনে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তত্ত্বাবধানে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ ভারত ও পাকিস্তান।

ভারত সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে এই শান্তি উদ্যোগে ভারত অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা এই উদ্যোগে অংশগ্রহণে আগ্রহী। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, গাজায় শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় যুক্ত হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ইসলামাবাদ।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, আঞ্চলিক সংঘাত এবং বৈশ্বিক রাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এই শান্তি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে আলোচনায় রয়েছে, ‘বোর্ড অব পিস’-এ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ৬০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশ আমন্ত্রণ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও কোন কোন দেশ চূড়ান্তভাবে এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হচ্ছে, সে বিষয়ে এখনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক শান্তি আলোচনা ও কূটনৈতিক সমন্বয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হতে পারে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর