মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অনীহা বা শৈথিল্য হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:২৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে সরকার। নির্বাচনী দায়িত্বে কোনো ধরনের অনীহা, অসহযোগিতা, শৈথিল্য বা ভুল তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে পাঠানো এক নির্দেশনায় নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১-এর বিধান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করতে বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ তাদের আওতাধীন সব দপ্তর, অধিদপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনাটি কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে।

জানা গেছে, এই নির্দেশনা মাঠপর্যায়ের সব অঞ্চল, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইনটির বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক শিক্ষক এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনসংক্রান্ত দায়িত্বে নিয়োজিত সবাই নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে গণ্য হবেন এবং তাঁরা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন।

নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনে অনীহা, অসহযোগিতা, শৈথিল্য বা ভুল তথ্য প্রদান ‘অসদাচরণ’ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশ প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ কারণে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে বিশেষভাবে সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র না থাকলেও কেউ যদি নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত থাকেন এবং কমিশনের নির্দেশ পালন বা তথ্য সরবরাহের দায়িত্বে থাকেন, তবে তাঁকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে গণ্য করা হবে। দায়িত্ব পালনে অসদাচরণের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরকার জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের আহ্বানে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বপ্রাপ্ত সবাইকে সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের শৈথিল্য এড়িয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর