মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

অবসরে গেলেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৫০

দেশের বিচার বিভাগের শীর্ষ পদ থেকে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে গেলেন ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি বিচারিক জীবনের ইতি টানলেন। ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক পটপরিবর্তনের পর এক বিশেষ মুহূর্তে তিনি বিচার বিভাগের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্ম নেওয়া ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ এক বছর সাড়ে চার মাস প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গত বছরের ১০ আগস্ট যখন বিচার বিভাগে অস্থিরতা বিরাজ করছিল, তখন তিনি নিয়োগ পান। দেশের উচ্চ আদালতের ইতিহাসে তিনিই প্রথম বিচারক, যিনি হাইকোর্ট থেকে সরাসরি প্রধান বিচারপতি পদে আসীন হয়ে নজির গড়েছিলেন।

সৈয়দ রেফাত আহমেদের আইন পেশার শুরু ১৯৮৪ সালে জেলা আদালত থেকে। ১৯৮৬ সালে তিনি হাইকোর্ট এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। এরপর ২০০৩ সালে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক এবং ২০০৫ সালে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দীর্ঘ দুই দশকের বিচারিক জীবনে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ রায় ও আইনি সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের বিদায়ের পর দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। আগামীকাল রোববার (২৮ ডিসেম্বর) তিনি নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন। বিদায়ী প্রধান বিচারপতির রেখে যাওয়া সংস্কার কাজ এবং বিচার বিভাগের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় নতুন প্রধান বিচারপতি কী ভূমিকা রাখেন, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর