মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে
  • ট্রাম্পকে খোলা চ্যালেঞ্জ ইরানের

কলকাতার বিশৃঙ্খলার জন্য মেসিকেই দায়ী করলেন গাভাস্কার

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:২১

ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কার কলকাতায় আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির সাম্প্রতিক উপস্থিতিকে ঘিরে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার জন্য সরাসরি মেসিকেই দায়ী করেছেন। তার মতে, বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা ভক্তদের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

১৩ ডিসেম্বর লুইস সুয়ারেজ ও রদ্রিগো দি পলকে সঙ্গে নিয়ে মেসি কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আসেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে এটি দুই ঘণ্টার একটি ফ্যান ইন্টারঅ্যাকশন হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল।

কিন্তু কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়াই হঠাৎ করে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়ে যায়। এতে টিকিট কাটা হাজার হাজার সমর্থক হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।

মেসি নির্ধারিত সময়ের আগেই চলে যাওয়ার পর ক্ষুব্ধ দর্শকেরা বোতল ছুড়ে মারেন এবং গ্যালারির গেট ভাঙার চেষ্টা করেন। অনেক সমর্থক অভিযোগ করেন, ভিআইপি ও রাজনীতিকেরা মেসির চারপাশে ভিড় করে তার পুরো সময়টাই নিজেদের দখলে রাখেন, ফলে সাধারণ দর্শকেরা তাকে এক ঝলকও দেখতে পাননি।

পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে কলকাতা পুলিশ ট্যুরের আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনার পর দায় মূলত রাজনীতিক ও ভিআইপিদের অতিরিক্ত উপস্থিতির ওপর চাপানো হলেও গাভাস্কার সেই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ।

স্পোর্টস্টারে লেখা এক কলামে গাভাস্কার বলেন, যদি মেসি নির্দিষ্ট সময় থাকার ব্যাপারে সম্মত হয়ে আগেভাগেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে থাকেন, তাহলে দায় তার এবং তার ঘনিষ্ঠ দলেরই।

গাভাস্কারের ভাষায়, ‘সবাইকে দোষ দেওয়া হলো, কিন্তু যিনি নিজের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি, তাকে নয়।’
তিনি আরো লেখেন, চুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ্যে না এলেও প্রতিশ্রুত সময়ের আগেই চলে গেলে তার দায় মেসি ও তার টিমের ওপরই বর্তায়।

নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে মেসির দ্রুত প্রস্থান করার যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, সেটিও নাকচ করেন গাভাস্কার। তার মতে, মেসির প্রতি কোনো বাস্তব নিরাপত্তা হুমকি ছিল না। চাইলে তিনি মাঠের চারপাশে এক চক্কর দিতে পারতেন বা একটি পেনাল্টি শট নিতে পারতেন, এমন ছোট্ট একটি ইঙ্গিতই ভক্তদের সন্তুষ্ট করতে পারত।

গাভাস্কার লেখেন, ‘হ্যাঁ, তাঁর চারপাশে রাজনীতিক ও তথাকথিত ভিআইপিরা ছিল, কিন্তু মেসি বা তার সঙ্গীদের প্রতি কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি ছিল না।’

৭৫ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটার আয়োজকদের পক্ষেও কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, একই সফরে হায়দরাবাদ, মুম্বাই ও দিল্লিতে মেসির উপস্থিতি নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয়েছে এবং সেখানে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়নি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর