মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে
  • ট্রাম্পকে খোলা চ্যালেঞ্জ ইরানের
  • ঈদবাজারে ফুটপাতের দাপট, স্বল্প আয়ে স্বপ্নের কেনাকাটা
  • মালদ্বীপে নিহত ৫ বাংলাদেশির লাশ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে
  • চীনে আন্তর্জাতিক এগ্রোকেমিক্যাল ও ক্রপ প্রটেকশন প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে এনএসি

শীতে অ্যাজমা বাড়ে ৪ কারণে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:০৪

শীতের হালকা পরশ পড়তেই অ্যাজমা বা হাঁপানির উপসর্গ বেড়ে যায়, যা রোগীদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে। হাঁচি-কাশির এই মৌসুমে ঠাণ্ডা বাতাস ও ঘরের ভেতরের (ইনডোর) অ্যালার্জেনের কারণে অনেক অ্যাজমা রোগীকে ভুগতে হয় বাড়তি সমস্যায়।

চিকিৎসকেরা বলছেন, সঠিক সতর্কতা না নিলে শীতকাল অ্যাজমার জন্য বেশ কঠিন হতে পারে।

হেলথ ম্যাটারের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় ৯.৮ মিলিয়ন মানুষ অ্যাজমার কারণে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

কোম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ইরভিং মেডিক্যাল সেন্টারের অ্যালার্জিস্ট ও ইমিউনোলজিস্ট ডা. স্টিফেন ক্যানফিল্ড জানিয়েছেন, শীতের ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস অ্যাজমার উপসর্গকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, এ সময় ফ্লু ও শ্বাসনালীর সংক্রমণ বেড়ে যায় এবং বাড়ির ভেতরে বেশি সময় কাটানোর ফলে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকিও বাড়ে, যা অ্যাজমার উপসর্গকে তীব্র করতে পারে। শুধু সংক্রমণই নয়, ইনডোর অ্যালার্জেন যেমন ঘরের ধুলা, পোষা প্রাণীর লোম এবং ছাঁচ (mold) শ্বাসনালীর প্রদাহ বাড়িয়ে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বুকের মধ্যে শোঁ শোঁ শব্দ তৈরি করতে পারে।

এ ছাড়াও শীতকালের ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস শ্বাসনালীর সংকোচন ঘটানোর ফলে বাইরে বের হলেই অনেকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন।

ডা. ক্যানফিল্ড শীতে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েকটি করণীয় উল্লেখ করেছেন।

তিনি পরামর্শ দেন, শীতের শুরুতেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সতর্কতা নিলে বড় ধরনের জটিলতা এড়ানো যায়। অ্যাজমার উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে, বিশেষত নতুন কাশি, শ্লেষ্মা বেড়ে যাওয়া কিংবা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি জ্বর দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখলে রোগীরাও সহজেই পুরো শীতকাল পার করতে পারেন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর