মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে

রোহিঙ্গাদের অর্থ সহায়তা দিচ্ছে চীন

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:১৫

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় ২৫ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে চীন। এই অনুদানকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। ইউএনএইচসিআর জানায়, গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন তহবিলের অর্থায়নে এই সহায়তা দেয়া হবে।

এর মাধ্যমে আগামী বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকা প্রায় ৪ লাখ ৫৮ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীর চন্য ৯৪ হাজার পরিবারকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী এলাকায় নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি নিশ্চিত হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন জানান, বৈশ্বিক অর্থসহায়তা কমে যাওয়ার এই সময়ে চীনের অনুদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এই সহায়তা শুধু রান্নার গ্যাস সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি শরণার্থীদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার তহবিল কমে আসায় ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জীবন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে চীন তার সহায়তা অব্যাহত রাখছে। তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চীন ইউএনএইচসিআর ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১১ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছে, যারা দৈনন্দিন প্রয়োজনের জন্য মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। ইভো ফ্রেইসেন বলেন, ২০১৮ সালে এলপিজি সরবরাহ শুরু হওয়ার পর থেকে শরণার্থীদের আর জ্বালানি কাঠ সংগ্রহে বাইরে যেতে হচ্ছে না। এতে নারী ও মেয়েদের নিরাপত্তা ঝুঁকি কমেছে এবং শিশুরা স্কুলে বেশি সময় দিতে পারছে।

ইউএনএইচসিআর জানায়, রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই আন্তর্জাতিক সংহতি অত্যন্ত জরুরি। চীনের মতো অংশীদারদের সহায়তা বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মানবিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর