মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে

মেসির আলোয় এমএলএস কাপের প্রথম শিরোপা মায়ামির

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৩৪

লিওনেল মেসি যেদিন মেজর লিগ সকার (এমএলএস)-এ যোগ দেন, সেদিন ইন্টার মায়ামি দলটি ছিল একেবারে নিচের দিকে। কিন্তু সেই দলটিই আর্জেন্টাইন জাদুকরের আগমন এবং ক্যারিশমার জোরে প্রথমবারের মতো তাদের ইতিহাসে এমএলএস কাপ জয়ের মাধ্যমে এক অবিশ্বাস্য উত্থান সম্পন্ন করল। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) চেজ স্টেডিয়ামে ফাইনালে ভ্যানকুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে ফ্লোরিডার দলটি।

যদিও ফাইনালে মেসি নিজে গোলের দেখা পাননি, তবুও তিনিই ছিলেন ম্যাচের সবচেয়ে বড় নায়ক। দলের তিনটি গোলেই ছিল তার অবদান। এই জয়ের মাধ্যমে মেসির অর্জনের ঝুলিতে যুক্ত হলো তার ক্যারিয়ারের ৪৭তম ট্রফি (সিনিয়র ফুটবলে ৪৪তম)।

মেসির আগমনের পর রাতারাতি যেন বদলে গিয়েছিল মায়ামির সার্বিক পরিস্থিতি। প্রথম মৌসুমেই লিগস কাপ জেতার পর তারা সাপোর্টার্স শিল্ড, ইস্টার্ন কনফারেন্সের শিরোপাও জেতে। এবার এমএলএস কাপ জয় করে ক্লাবটির সাফল্যের মুকুটে শেষ পালকটি যুক্ত হলো।

ফাইনালে ম্যাচের শুরুতেই (৮ মিনিটে) মেসি মধ্যমাঠে বল পেয়ে দুর্দান্ত পাসে তাদেও আলেন্দেকে সুযোগ তৈরি করে দেন। আলেন্দে ডান দিক দিয়ে ক্রস করলে ভুলবশত সেই বল নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন ভ্যানকুভারের এডিয়ার ওকাম্পো, যার মাধ্যমে লিড পায় মিয়ামি। ভ্যানকুভার দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরলেও, ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট আসে মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে।

তিনি আন্দ্রেস কুবাসের কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে নিখুঁতভাবে রদ্রিগো ডি পলের কাছে বাড়িয়ে দেন। ডি পল ঠাণ্ডা মাথায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান। এরপর ম্যাচের শেষদিকে যোগ করা সময়ে মেসি আবারও আলেন্দেকে অসাধারণ পাস দেন, যেটি থেকে আলেন্দে গোল আদায় করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। পুরো প্লে অফে মেসির অবদান ছিল ১৫ গোলে (৬টি নিজে এবং ৯টি অ্যাসিস্ট)।

ইতিহাস গড়া এই এমএলএস কাপ জয়ী ম্যাচটি অন্য এক কারণেও বিশেষ ছিল, কারণ এটি ছিল বার্সেলোনার দুই কিংবদন্তি জর্দি আলবা ও সের্জিও বুসকেটসের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

বার্সার হয়ে দীর্ঘ ১১ মৌসুম কাটিয়ে ছয়টি লা লিগা এবং একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতেছিলেন আলবা। অন্যদিকে, বুসকেটস বার্সেলোনার হয়ে ৭২২ ম্যাচ খেলেছেন এবং জিতেছেন ৩২টি ট্রফি। স্পেনের হয়ে দুজনই ইউরো এবং বিশ্বকাপ শিরোপাও তুলেছেন। তাদের ফুটবল ক্যারিয়ার এমএলএস কাপ জয়ের মাধ্যমে এক সুন্দর, শিরোপা-মাখা সমাপ্তি পেল।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর