মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

শহরের স্পন্দন এখানেই

গল্প-গান-আড্ডায় মুখর গাইবান্ধার ‘কাউয়া পয়েন্ট’

মো. আল আমিন, গাইবান্ধা

প্রকাশিত:
৮ নভেম্বর ২০২৫, ১৩:৪৩

গাইবান্ধা রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ছোট্ট এক চত্বর এখন শহরের প্রাণের আড্ডাস্থল। স্থানীয়দের কাছে এটি পরিচিত “কাউয়া পয়েন্ট” নামে। একসময় এই স্থানটি ছিল নিঃশব্দ ও ফাঁকা প্রান্তর, আর আজ সেটিই গাইবান্ধার সবচেয়ে ব্যস্ত ও প্রানচঞ্চল মিলনস্থল।

প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এখানে ভিড় জমে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের। কেউ আসেন এক কাপ ধোঁয়াটে চায়ের কাপে গল্প জমাতে, কেউ আবার নিরিবিলি সময় কাটাতে। সাংবাদিক, শিক্ষক, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ কিংবা সাধারণ নাগরিক—সবাই এখানে খুঁজে পান মত বিনিময় ও ভাব প্রকাশের মুক্ত মঞ্চ।

রাজনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি কিংবা কবিতা—সবকিছু নিয়েই এখানে চলে প্রাণখোলা আলোচনা। কখনো কেউ গেয়ে ওঠেন পুরনো দিনের গান, আবার কেউ বলেন জীবনের গল্প। এই বৈচিত্র্যময় আড্ডায় মিশে থাকে শহরের হাসি, কান্না, ও অজস্র স্মৃতি।

এখানকার চায়ের দোকানগুলো যেন এই আড্ডার প্রাণ। গরম চায়ের ঘ্রাণের সঙ্গে মিশে থাকে বন্ধুত্ব, মতবিনিময় আর ভাবনার উষ্ণতা। অনেকের কাছে এটি শুধু চা-পানের জায়গা নয়, বরং গাইবান্ধার এক ক্ষুদ্র সামাজিক প্ল্যাটফর্ম।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আলাউদ্দিন (গামা) বলেন, “এই জায়গাটা আমাদের গাইবান্ধার হৃদস্পন্দন। এখানে এলে মনে হয় সময় থেমে গেছে—সবাই নিজের মতো করে হাসে, ভাবে আর গল্প করে।”

গণমাধ্যমকর্মী আঃ রাজ্জাক সরকার জানান, “আমি প্রায় প্রতিদিন কিছু সময় এখানে কাটাই। মানুষের কথা, হাসি আর চিন্তার ভেতরেই যেন লুকিয়ে থাকে জীবনের গল্প। এটা এক জীবন্ত নিউজরুমের মতো।”

স্থানীয়রা মনে করেন, পরিকল্পিতভাবে সাজালে “কাউয়া পয়েন্ট” হয়ে উঠতে পারে গাইবান্ধার অন্যতম সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। একটু যত্ন আর উদ্যোগেই এই চত্বর হতে পারে শহরের সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার স্পন্দনভূমি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর