মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

দুম্বার মাংস বিতরণের নামে ভাগবাটোয়ারা

মো. আল আমিন, গাইবান্ধা

প্রকাশিত:
৩ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:৩৭

গাইবান্ধার সাত উপজেলার ৮২টি ইউনিয়নে দুস্থদের জন্য সৌদি সরকারের অনুদানে পাঠানো দুম্বার মাংস প্রকৃত প্রাপকদের হাতে পৌঁছেনি। অভিযোগ উঠেছে, এসব মাংস স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘরেই পৌঁছেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে গত শনিবার গাইবান্ধায় পাঠানো হয় মোট ২২৭ কার্টন দুম্বার মাংস। নির্দেশনা ছিল দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ জনগণের মধ্যে এসব মাংস বিতরণের। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, বরাদ্দ আসার পর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গোপনে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে এসব মাংস চেয়ারম্যান, মেম্বার ও তাঁদের ঘনিষ্ঠদের মধ্যে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গোবিন্দগঞ্জে ৪৭, ফুলছড়িতে ১৯, সুন্দরগঞ্জে ৪২, সাঘাটায় ২৮, পলাশবাড়িতে ২৫, সাদুল্লাপুরে ৩০ এবং সদর উপজেলায় ৩৬ কার্টন বরাদ্দ ছিল। অথচ চরাঞ্চলের ১৬৫টি গ্রামের দরিদ্র মানুষ জানেই না এ মাংসের কোনো খবর।

সুন্দরগঞ্জের চর বেলকার বাসিন্দা শামসুল হক মাইজভাণ্ডারি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কত দিন মুখে মাংস পরি না, এখনো এক টুকরাও পাইনি।”

অন্যদিকে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জগৎবন্ধু মিত্র দাবি করেছেন, “কমিটি করে স্থানীয় মাদ্রাসা ও এতিমখানায় মাংস বিতরণ করা হয়েছে।”

তবে এক সমাজসেবা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সরকারি কোনো এতিমখানায় এ মাংস বিতরণ করা হয়নি।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “গোলমাল এড়াতে মাংস মূলত এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।”

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—দুস্থদের জন্য পাঠানো সৌদি দুম্বার মাংস গেল কোথায়?


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর