মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

গাইবান্ধা শহরের যানজটে নাকাল সাধারণ মানুষ: পুরাতন ব্রিজই এখন বড় ভোগান্তির নাম

মোঃ আল আমিন, গাইবান্ধা

প্রকাশিত:
২ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:১৫

গাইবান্ধা জেলা শহরের দীর্ঘদিনের এক অব্যবস্থার নাম এখন পুরাতন ব্রিজ। সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়ন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ও কুড়িগ্রাম জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবেই পরিচিত এই ব্রিজটি প্রতিদিনই ভয়াবহ যানজটের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যদিও কুড়িগ্রাম জেলার যান চলাচলের সুবিধার্থে লক্ষ্মীপুর হয়ে সাদুল্লাপুরের কান্তনগর ভায়া ধাপেরহাট পর্যন্ত জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে একটি বিকল্প সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে, তবুও শহরবাসীর দুর্ভোগ এখনো কমেনি।

প্রতিদিন পুরাতন ব্রিজ থেকে পুরাতন জেলখানার মোড় পর্যন্ত প্রায় স্থায়ী যানজট দেখা যায়। অন্যদিকে পূর্বপাড়া থেকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেন সড়কটি—যা ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত—তেমন কোনো বাস্তব সুফল এনে দিতে পারেনি শহরবাসীর জন্য। শহরে নেই কোনো ওভারব্রিজ, নেই কার্যকর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

ডিবি রোডের ১ নম্বর ট্রাফিক মোড় ও ডাকবাংলা মোড় এলাকাগুলোতে প্রায়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। শহরে কোনো বিকল্প সড়ক না থাকা, আর লাগামহীনভাবে ইজিবাইক, রিকশা, ভারী ও মাঝারি যানবাহনের একসাথে চলাচল—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত খোলার ও বন্ধের সময় শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। যানজটে আটকে থেকে সাধারণ মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে—অনেকে জানান, গড়ে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত সময় নষ্ট হচ্ছে প্রতিদিন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, “শহরের রাস্তাগুলো একদিকে সরু, তার ওপর ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল করছে। অটোচালকেরা ট্রাফিক নিয়ম মানেন না, রাস্তার অর্ধেক দখল করে রাখেন। অন্যদিকে ফুটপাত দখল করে বসেছে দোকানপাট। ফলে পথচারীরা বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হয়, এতে যানজট আরও বেড়ে যায়।”

একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “যেখানে ১০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা, সেখানে এখন লাগে ৪০ থেকে ৫০ মিনিট। এটা আমাদের প্রতিদিনের ভোগান্তি।”


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর