মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

কক্সবাজারে জোড়া শিশু হত্যায় পাঁচজনের মৃত্যু দন্ড, চারজনের যাবজ্জীবন

জে এইচ এম ইউনুস, কক্সবাজার

প্রকাশিত:
২১ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:১০

কক্সবাজারে দুইজন জোড়া শিশু হত্যার দায়ে রামু উপজেলার গর্জনিয়া এলাকার পাঁচজন অপহরণকারিকে মৃত্যু দন্ড ও চারজনকে যাবজ্জীবন এবং একজনকে খালাস দিয়েছে কক্সবাজার জেলা আদালত।

আজ (২১ অক্টোবর) মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টার সময় কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক মুহাম্মদ ওসমান গণি এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের নথি সুত্রে জানাযায় বিগত ১৭ জানুয়ারি ২০১৬ সালে গর্জনিয়ার দোকান কর্মচারী মুহাম্মদ ফোরকানের দুই শিশু ছেলে যথাক্রমে মুহাম্মদ হাসান(১০) এবং মুহাম্মদ হোছাইন( ৮) কে পাখির ছানা নিয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে একদল অপহরণকারি চক্র অপহরণ করে। পরে শিশুদের বাবা ফোরকান থেকে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে তারা এই দুই অবুঝ শিশুদের হত্যা করে প্রথমে ড্রামে পরে পাহাড়ের চূড়ায় লুকিয়ে রাখেন।

কক্সবাজার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের সরকার পক্ষের আইনজীবী (এপিপি) মীর মশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের জানান দীর্ঘ নয় বছর এই মামলা চলমান ছিল। সাক্ষী প্রমাণসহ সবকিছুইর পর বিজ্ঞ বিচারক এই মামলায় পাঁচজন আসামিকে মৃত্যু দন্ড ও চারজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায় দেন এবং হত্যা কান্ডের সময় একজনের বয়সে শিশু থাকার প্রমাণে খালাস প্রদান করা হয়। মৃত্যু দন্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন রামু গর্জনিয়া বড় বিল এলাকার মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুস শুকুর,আলমগীর, মুহাম্মদ মিজান ও শহীদুল্লাহ।

যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন আবদুল মজিদ, এবং তিনজন মহিলা যথাক্রমে ফাতেমা, রাশেদা ও লাইলা বেগম। খালাস প্রাপ্ত আসামি মোকাররামা সোলতানা।

রায় প্রদানের সময় আদালতে প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম ছাড়া বাকিরা অনুপস্থিত রয়েছে।

এই রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন রাস্ট্র পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোশাররফ হোসেন।



মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর