মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

ভাঙ্গায় অপরিকল্পিত বালু ফেলে সীমানা প্রাচীর ভাঙার অভিযোগ

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৩:৪৯

ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামে অপরিকল্পিতভাবে বালু ফেলে সীমানা প্রাচীর ভাঙার অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) সকালে ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গেলে এমন চিত্র দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাপুড়িয়া সদরদী এলাকার শৈলী ওবায়দুর রহমানের সঙ্গে একই এলাকার লুৎফর রহমানের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। সম্প্রতি লুৎফর রহমান তার জমিতে একটি বহুতল ভবন নির্মাণ শুরু করেছেন। ভবনটির বালু ভরাটের সময় পাশের জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক শৈলী ওবায়দুর রহমান বলেন, “লুৎফর রহমানের জমিতে কে. এম. মফিজুর রহমান মাসুদ নামে একজন ডেভেলপার হিসেবে ভবন নির্মাণ করছে। আমাদের সঙ্গে জমি নিয়ে আগেও বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে অপরিকল্পিতভাবে বালু ফেলায় আমাদের সীমানা প্রাচীর ভেঙে গেছে। একটি ভবনের নির্মাণের আগেই যদি দেয়াল ভেঙে যায়, তাহলে ভবন সম্পন্ন হওয়ার পর বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের আরেকটি জমি (আল-হেরা স্কুল) সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যে আদালতে মামলা( সই জালিয়াতি) চলছে। এছাড়া পৌরসভার কর্মকর্তারা এক পর্যায়ে পরিদর্শন করে মৌখিকভাবে ভবনের কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। নদীর তীরবর্তী এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণ সঠিক নিয়ম মেনে হচ্ছে কিনা, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করা প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে জানতে ভাংগা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রেজাউর রহমানের সাথে মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অফিসের কাজে ঢাকায় এসেছি। অফিসে এসে বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।

এ বিষয়ে জানতে নির্মাণাধীন ভবন এলাকায় গিয়ে লুৎফর রহমান বা নির্মাণ সংশ্লিষ্ট কাউকেই পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, সীমানা প্রাচীর ভাঙার ঘটনায় আশপাশের বাড়িঘরও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর