মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

পলাশের আখ চাষীরা বাম্পার ফলনে আর্থিক সুখের স্বপ্ন দেখছেন

বোরহান মেহেদী, পলাশ (নরসিংদী)

প্রকাশিত:
১৬ অক্টোবর ২০২৫, ১৩:০৭

দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চলখ্যাত পলাশ উপজেলা হলেও এখানকার অধিকাংশ মানুষই কৃষিকাজ নির্ভরশীল। জীবিকা নির্বাহের প্রধান অবলম্বন কৃষি। এ উপজেলার উর্বর দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটিতে বিভিন্ন রকম ফসল আবাদ হয়ে থাকে। তবে অল্প পুঁজিতে লাভজনক হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে দিন দিন আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে এ অঞ্চলের কৃষকদের। এবার আখের বাম্পার ফলন হয়েছে পলাশে। ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে।

জানা গেছে, বেলে ও দোআঁশ মাটি আখ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। ৭ থেকে ৮ মাসের মধ্যে আখের ফলন পাওয়া যায়। আখ উঁচু ও নিচু জমিতেও চাষ করা যায়। আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণের কারণে আশানুরূপ ফলন ও বাজারে বেশ চাহিদা থাকায় দিন দিন আখ চাষের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, আখ কাটতে কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। সারি সারি ভ্যান দাঁড়িয়ে আছে আখ নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখান থে‌কে আখ স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন জেলার পাইকাররা এসে নিয়ে যান।

উপজেলার চরসিন্দুরের ইউনিয়নের রহামান মিয়া বলেন, প্রায় পাঁচ বছর আগে প্রথমবারের মতো তার এলাকায় আখ চাষ শুরু করেন। তার দাবি- তার হাত ধরেই ওই এলাকায় প্রায় ১০ থেকে ২০ জন কৃষক আখ চাষ শুরু করেছেন।

তিনি আরো বলেন, গত ৫ বছর ধরে নিয়মিত আখ চাষ করছি। এ বছর ২২ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। এ বছর খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকা। বাজারে অন্তত ৫০-৬০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারবো। এবার দাম বেশি হওয়ায় আখ চাষ বাড়ছে।

একই এলাকার কৃষক সুশীল রায় বলেন, চলতি বছর ১৫ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। আখ চাষের উপযোগী বেলে দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি। প্রতি ৩০ শতাংশ জমিতে খরচ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। আখ চাষে খরচ কম কিন্তু পরিশ্রম একটু বেশি।

আখ ব‍্যবসায়ী জয়নাল আবদিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ৫ থেকে ৬ বছরেরও বেশি সময় আখ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছি। প্রতি বছর এখান থেকে আখ কিনে পার্শ^বর্তী জেলাগুলোতে পাইকারি হিসেবে বিক্রি করে থাকি। প্রতি দিন ৩ থেকে ৫ হাজার পিস আখ কিনে থাকি। এখানকার আখ খুব মিষ্টি ও সুস্বাদু। এখানকার আখ বিক্রি করতে আমাদের কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না।

পলাশ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বলেন, পলাশের মাটি আখ চাষের জন্য উপযোগী। এবার জেলায় ১২৫ হেক্টর জমিতে ৪১, ১৬ ও ৮ জাতের আখ চাষ হয়েছে। রোগবালাই থেকে চাষিরা যেন ফসল বাঁচাতে পারেন, সে জন্য যথাসময়ে সঠিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর