মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

কয়েক কোটি টাকার জাল নোট উদ্ধার

চট্টগ্রামে তৈরি হচ্ছে ডলার-ইউরো

মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:
১৫ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৫১

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ২০ কোটি টাকার দেশি-বিদেশি জাল টাকাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তার যুবকের দাবি, শুটিংয়ের জন্য তিনি আন্দরকিল্লার একটি ছাপাখানা থেকে এগুলো ছাপিয়েছেন। তবে র‍্যাব বলছে, বাংলাদেশের নিয়মানুযায়ী টাকা ছাপানোর অনুমতি কারোই নেই।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকার নুরনগর হাউজিং সোসাইটির একটি বিল্ডিংয়ের ফ্ল্যাট থেকে এসব জাল নোট জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ওই যুবকের নাম তানজিম (২০)।

জাল টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তানজিম বলেন, ‘টাকাগুলো শুটিংয়ের কাজে ব্যবহারের জন্য ছাপানো হয়েছে। নগরের আন্দরকিল্লায় অবস্থিত অঙ্কুর প্রিন্টার্স নামে একটি ছাপাখানা থেকে এসব ছাপানো হয়। প্রতি বান্ডেল নোট ৩০ টাকায় ছেপে আমি ৬০০ টাকায় বিক্রি করি। এখানে ভালোই একটা মার্জিন (লাভ) আছে আমার। যেহেতু এসব নোট ছাপার অনুমতি নেই সেহেতু এগুলোকে জাল টাকা বলা যেতে পারে। র‍্যাব সূত্র জানিয়েছে, মূলত আজ সিলেটে র‍্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে জাল টাকাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী র‍্যাব-৭ এই অভিযান পরিচালনা করেছে।

র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান সিভয়েস২৪'কে বলেন, ‘বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী সরকার কাউকেই কোনো ধরনের টাকা ছাপানোর অনুমতি দেয়নি। আমরা এখানে সত্যিকার জাল টাকার দেশি-বিদেশি নোট পেয়েছি। অনলাইনের মাধ্যমে এই জাল টাকাগুলো বিক্রি করা হতো। লেনদেনও অনলাইনেই হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে যেখান থেকে নোটগুলো ছাপানো হয়েছে সেখানকার দুজনকে হেফাজতে নিয়েছি। আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করে দেখছি আরও কারা এসবের সঙ্গে জড়িত। তদন্ত শেষে আরও বিস্তারিত জানাতে পারবো।’


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর