মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

আটকে থাকা সেতু, আটকে থাকা জীবন : মনিরামপুরের টেকা ব্রীজ এখন শুধুই দুর্ভোগের নাম

মুহাইমিনুল হক, মনিরামপুর (যশোর)

প্রকাশিত:
১৩ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:৩৪

নতুন সেতু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ছিল, কিন্তু বাস্তবে দেখা মিলেছে কাঠের সাঁকোর ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত। যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় টেকারঘাট এলাকায় এখন এমনই এক বাস্তব চিত্র। ২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর খুলনা বিভাগীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮.৫ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে শুরু হয় মনিরামপুর টেকা নদীর উপর নতুন সেতু নির্মাণের কাজ।

কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় মোজাহার এন্টারপ্রাইজ (জেভি)। নির্ধারিত সময় ছিল ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত, কিন্তু পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জানুয়ারি করা হলেও আজও সেই সেতু অপূর্ণ। নির্মাণের অগ্রগতি থাকলেও উচ্চতার মানদণ্ডে পৌঁছায়নি সেতুটি। এছাড়া নির্মাণ বন্ধ হওয়ার পর থেকে এলাকাবাসী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে অস্থায়ী কাঠের সাঁকো দিয়ে। উপায় না পেয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়েই পার হচ্ছে অসংখ্য অটোরিকশা এবং সিএনজি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সঠিক পরিকল্পনার অভাব, দায়িত্বহীনতা ও দুর্নীতি, নকশাগত ত্রুটির জন্য সেতুর কাজ শতভাগ শেষ হয়নি, যার ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী ও শ্রমজীবী মানুষ। যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, আর এতে জীবনযাত্রা হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, আগে একদম সহজে বাজারে যেতে পারতাম। এখন রোগী নিয়েও ভাবতে হয়, পার হবো কীভাবে? বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারি প্রকল্পে নজরদারি ও স্বচ্ছতা না থাকলে উন্নয়নের নামে বরাদ্দ বাজেটও অবহেলা আর দুর্নীতির গর্তেই তলিয়ে যাবে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই উন্নয়ন একদিন সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে, আর জনদুর্ভোগ আরও গভীর হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর