মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

ভোগান্তিতে পড়ালেখা বন্ধ দুই শিক্ষার্থীর

বেড়া নির্মাণ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ

মোঃ সুজন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত:
৬ অক্টোবর ২০২৫, ১৪:১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের নরহা গ্রামে বেড়া দিয়ে প্রতিবেশীর চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পায়নি।

বিকল্প পথ না থাকায় পানিতে সাঁতরে বাড়ি থেকে বের হতে হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের। এতে তিন সপ্তাহ ধরে ওই পরিবারের দুই শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নরহা গ্রামের কাজী তৈয়ব আহম্মদের বাড়িতে প্রবেশের একমাত্র পথটি বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পূর্ব পাশের প্রতিবেশীরা ওই রাস্তা বন্ধ করে দেয়। বাড়ির দুই পাশে পুকুর ও জলাবদ্ধতা থাকায় পথটি ছিল একমাত্র চলাচলের উপায়। ফলে অবরুদ্ধ অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

রাস্তা বন্ধ থাকায় স্কুল ও মাদ্রাসায় যেতে না পেরে দুর্ভোগে পড়েছে ওই পরিবারের দুই শিক্ষার্থী। জরুরি প্রয়োজনে পানিতে ভিজে বা সাঁতরে বাইরে যেতে হচ্ছে। অসুস্থ কেউ হলে হাসপাতালে নেওয়ারও উপায় নেই।

ভুক্তভোগী কাজী তৈয়ব আহম্মেদ বলেন, “আমরা বহু বছর ধরে এই রাস্তাটি ব্যবহার করছি। কিন্তু স্থানীয় আধিপত্যের জেরে চাচাতো ভাইয়েরা বেড়া দিয়ে পথটি বন্ধ করে দিয়েছে। এখন আমরা কার্যত বন্দি অবস্থায় আছি। রাস্তা না থাকায় মেয়ের স্কুলে যাওয়া বন্ধ, ছেলেও মাদ্রাসায় যেতে পারছে না।”

অবরুদ্ধ পরিবারের সদস্য ও হরিণবেড় শাহজাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী কাজী তামান্না আক্তার বলেন, “প্রথম কয়েকদিন পানিতে ভিজে স্কুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু পরে খুব কষ্ট হওয়ায় যাওয়া বন্ধ করে দিতে হয়েছে।”

অভিযুক্ত দানা মিয়া বলেন, “ওই পরিবারের লোকজন আমাদের ওপর অনেক অত্যাচার করেছে এবং মিথ্যা অপবাদ দেয়। তাই আমরা রাস্তা বন্ধ করেছি।”

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকছুদ আহাম্মদ বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা নাছরিন বলেন, “শিক্ষার্থীরা যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর