মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে

ভাঙ্গায় আফসার হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

মোসলেউদ্দিন (ইমরান মুন্সী) ভাংগা (ফরিদপুর)

প্রকাশিত:
৫ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:০৭

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পৌর এলাকার নওপাড়া গ্রামে শেখ আফসার হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নওপাড়া বাসস্ট্যান্ডে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট জহিরুল হক মিঠুন, নিহত শেখ আফসারের স্ত্রী সেতু বেগম ও তার মেয়ে সুমি আক্তার।

আফসারের স্ত্রী সেতু বেগম জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে নয়টার দিকে নজরুল কাজী আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাস্তায় নিয়ে গিয়ে নজরুল, তার ভাই জহির কাজী, ইয়াম ফকির ও হাসেন ফকির সহ অনেকে মিলে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে পানির মধ্যে ফেলে দেয়। সেতু বেগম তার স্বামী হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

নিহতের মেয়ে সুমি আক্তার বলেন, “আমার বাবাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় আমার মা বাদী হয়ে আটজনের নামে ভাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেছেন। বর্তমানে মামলার তিনজন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; বাকিরা এখনও পলাতক। আমরা মানববন্ধনের মাধ্যমে বাকী আসামিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।”

সাবেক কাউন্সিলর জহিরুল হক মিঠুন বলেন, নওপাড়া গ্রামের বিল্লাল কাজী ও হাচেন ফকিরসহ তাদের সহযোগীরা একজন সরল মানুষের জীবন কেড়ে নেয়ার মাধ্যমে ভাঙ্গা থানার মানুষের হৃদয়ে বড় আঘাত দিয়েছে। তিনি বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ রকম অপরাধ করার সাহস না পায়।”

ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আশরাফ হোসেন ঘটনাটি সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান, মামলায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।




মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর