মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে

সরকারি সার বেশি দামে বিক্রি: দুই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

মোঃ সুজন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত:
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:৫৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার জগত বাজারে সরকারি সার অনুমোদন ছাড়া এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

২২ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী। এসময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ও জেলা মৃত্তিকা সম্পদ কর্মকর্তা সহযোগিতা করেন।

অভিযানে দেখা যায়, মেসার্স সাইফুল ইসলাম (প্রো. মো. নাজমুল হক) নামের প্রতিষ্ঠানে সরকারি সার অনুমোদনহীনভাবে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছিল। সেখানে সরকার নির্ধারিত কেজি প্রতি ২১ টাকার টিএসপি বিক্রি হচ্ছিল ৫০ টাকায়, ২৭ টাকার ইউরিয়া বিক্রি হচ্ছিল ৩৬ টাকায় এবং ২০ টাকার এমওপি বিক্রি হচ্ছিল ২৫ টাকায়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সরকারি সার বিক্রির কোনো অনুমোদন ছিল না। এসব অপরাধের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অপরদিকে, মেসার্স রুহুল আমিন ভূঁইয়া (ডিলার) প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদনহীনভাবে ওই সাইফুল ইসলামের প্রতিষ্ঠানে সরকারি সার বিক্রির অপরাধে ২০ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হয়।

জরিমানার সময় উভয় প্রতিষ্ঠান দোষ স্বীকার করে লিখিত মুচলেকা দিয়েছে যে ভবিষ্যতে তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবে না।

এসময় ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে জানানো হয়, সরকারি আইন কানুন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর