মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

জুড়ীতে হাড়ারগজ পাহাড়ে ইউরেনিয়ামের সম্ভাবনা, নতুন দিগন্তের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

মোঃ মাছুম আহমদ, মৌলভীবাজার

প্রকাশিত:
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:৩৯

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নে হাড়ারগজ পাহাড়— কিন্তু এই পাহাড় শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, বরং সম্ভাবনাময় এক মহামূল্যবান খনিজ ভাণ্ডারের জন্যও বিশেষভাবে আলোচনায়। এখানে মিলেছে ইউরেনিয়ামের সম্ভাবনা—যা দেশের জ্বালানি খাত ও অর্থনীতির জন্য খুলে দিতে পারে এক নতুন দিগন্ত।

১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান হাড়ারগজ পাহাড় পরিদর্শন করেন। তাঁর সেই সফরের কয়েক বছরের মধ্যেই, ১৯৮৫ সালে জুড়ীর সাগরনাল এলাকায় পরিচালিত জরিপে ইউরেনিয়ামের অস্তিত্বের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে দীর্ঘ তিন দশক পার হলেও আজও কার্যকর কোনো অনুসন্ধান বা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু হয়নি।

ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের প্রতিবেশী রাজ্য ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে ইতোমধ্যেই ১৭ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি ইউরেনিয়াম মজুদ রয়েছে। ভৌগোলিক ও ভূতাত্ত্বিক গঠনে হাড়ারগজ পাহাড়ের সঙ্গে ওইসব অঞ্চলের মিল থাকায় এখানে উল্লেখযোগ্য ভাণ্ডার থাকার সম্ভাবনা প্রবল।

ইউরেনিয়াম পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি খনিজ। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নানা খাতে এর ব্যবহার বিস্তৃত। বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন উৎস খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। এমন পরিস্থিতিতে হাড়ারগজ পাহাড়ে ইউরেনিয়ামের সম্ভাব্য মজুদ কাজে লাগাতে পারলে তা হতে পারে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার বড় হাতিয়ার।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মত, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জরিপ ও অনুসন্ধান শুরু করা জরুরি। এতে একদিকে যেমন দেশের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে, তেমনি দেশের জ্বালানি খাতেও আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।

তিন দশক ধরে অবহেলিত এই সম্পদ আজও অপেক্ষা করছে সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপের। বাংলাদেশ যখন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন দিগন্তের সন্ধান করছে, তখন জুড়ীর হাড়ারগজ পাহাড়ে ইউরেনিয়ামের সম্ভাবনা নিঃসন্দেহে এক আশার আলো।

এবিষয়ে জুড়ী উপজেলা বিএনপি সভাপতি,হাজী মাছুম রেজা (চেয়ারম্যান)বলেন,১৯৮১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই হারারগজ ইউরেনিয়ামের স্থান পরিদর্শন করেছিলেন এখনো পর্যন্ত এই ইউরেনিয়াম আলোর মুখ দেখতে পায়নি




মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর