মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

চট্টগ্রাম মহানগরে র‌্যাম্প নির্মাণকাজে নগরবাসীর ক্ষোভ

মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:
৩০ আগষ্ট ২০২৫, ১৮:২৯

চট্টগ্রাম নগরীর ব্যস্ততম জিইসি এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প নির্মাণকাজ চলছে কোনপ্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সরেজমিনে জিইসি থেকে ওয়াসা মোড় পর্যন্ত র‌্যাম্প নির্মাণ হলেও পুরো এলাকায় যথাযথ নিরাপত্তাবেষ্টনী দেখা যায়নি।চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) কর্তৃক বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ও চীনা প্রতিষ্ঠান র‌্যাঙ্কিন।

জানা গেছে, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২০১৭ সালের ১১ জুলাই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের জুনে। তবে নির্মাণ শুরু হয় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে এবং সময় বাড়িয়ে সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়। ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৯৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীর লালখানবাজার সংলগ্ন বাওয়া স্কুলের পাশে র‌্যাম্পে কয়েকজন শ্রমিক কাজ করছেন। উপরে কাজ চললেও নিচে কোনো নিরাপত্তা নেই। শুধুমাত্র বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (বাওয়া) সামনের কিছু অংশে অস্থায়ী নিরাপত্তাবেষ্টনী দেয়া হয়েছে। বাকি অংশ সম্পূর্ণ খোলা থাকায় শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত র‌্যাম্পে কাজ চলে। ওয়েল্ডিংয়ের সময় উপর থেকে আগুনের ফুলকি নিচে পড়ে। এছাড়া কোনো নির্মাণসামগ্রী নিচে পড়লে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এদিকে নগরীর এমন ব্যস্ততম সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে নির্মাণকাজ করায় সিডিএ’র উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন নগরবাসী। যেখানে নিরাপত্তাব্যবস্থা না রেখে নির্মাণকাজ করলে সিডিএ জরিমানা করে, সেখানে নিজেরাই এমন কাজ কীভাবে করছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পথচারীরা।

সিডিএ সূত্রে জানা গেছে, নগরীর যান চলাচলে গতি আনতে লালখানবাজার থেকে পতেঙ্গা টানেল রোড পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। ফ্লাইওভারের ব্যবহার বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে র‌্যাম্প নির্মাণের কাজ চলছে। শহরের যেকোন প্রান্ত থেকে মানুষ যাতে ২০ থেকে ২৫ মিনিটে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারে সেজন্য এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সিডিএ।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর