মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে

বেসরকারি খাতে যাচ্ছে ‘নগদ’, বিনিয়োগকারী খুঁজছে বাংলাদেশ ব্যাংক

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২৭ আগষ্ট ২০২৫, ১৮:২৪

মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ‘নগদ’-এর মালিকানা আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এজন্য নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। ‌‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিট ২০২৫: দ্য ইন্টারসেকশন অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ শীর্ষক সম্মেলন আয়োজন করে মাস্টারকার্ড ও ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)।

সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর বলেন, পোস্ট অফিসের পক্ষে নগদ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই আমরা চাই প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এগিয়ে আসুক। এরই মধ্যে নতুন বিনিয়োগকারী খোঁজার কাজ চলছে। আশা করছি, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে বেসরকারি খাতে নগদ হস্তান্তর করা যাবে।

তিনি বলেন, সপ্তাহখানেকের মধ্যে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। লক্ষ্য হলো- নগদকে একটি স্থিতিশীল ও সক্ষম প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করানো।

নগদকে ঘিরে অতীতে নানান অনিয়ম হয়েছিল মন্তব্য করে গভর্নর বলেন, আগের মালিকানায় ভুয়া সদস্য যোগ করার মতো অনিয়ম হয়েছে। এসব সংশোধন করে প্রতিষ্ঠানটিকে নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। এখন এটি স্থিতিশীল এবং ক্রমবর্ধমান।

আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, অর্থনীতিতে নগদ টাকার চাহিদা অব্যাহতভাবে বাড়ছে। প্রতিবছর গড়ে ১০ শতাংশ হারে এই চাহিদা বাড়ছে, যা ব্যাংকগুলোর পরিচালন ব্যয়ও বাড়াচ্ছে। বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা করে নগদ টাকার সরবরাহ বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, এ অবস্থায় ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তোলা বড় চ্যালেঞ্জ। তাই ধীরে ধীরে নগদ টাকার ব্যবহার কমাতে হবে। বেতন থেকে শুরু করে সব খাতে ক্যাশলেস লেনদেন চালু করা জরুরি।

কিউআর কোড ব্যবহারকে জাতীয়ভাবে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগের কথাও জানান গভর্নর। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে- যেসব প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স আছে, সবাইকে কিউআর কোড নিতে হবে। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আইন করা হবে। না নিলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এছাড়া এজেন্ট ব্যাংকিং সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজ করার কাজ চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি বেসরকারি খাতে পাঁচটি ক্রেডিট ব্যুরো অনুমোদনের বিষয়েও বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে বলে জানান।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর