মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সমাবেশের ঘোষণা পাকিস্তান জামায়াতের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১২ আগষ্ট ২০২৫, ১১:৫৯

দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামী। আগামী ২১ থেকে ২৩ নভেম্বর মিনার-ই-পাকিস্তানে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

লাহোরের মানসুরায় এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফিজ নাঈমুর রহমান এ ঘোষণা দিয়ে শাসকগোষ্ঠীকে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় শান্তিপূর্ণ কিন্তু শক্তিশালী গণআন্দোলনের মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। খবর ডনের।

হাফিজ নাঈমুর রহমান বলেন, আগামী ২১, ২২ ও ২৩ নভেম্বর মিনার-ই-পাকিস্তানে পাকিস্তানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকেই বৃহৎ আন্দোলনের সূচনা হবে।

তিনি আরও বলেন, এ সম্মেলনে বিশ্বব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের নেতারা, ফিলিস্তিনিপন্থী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক নেতারা অংশ নেবেন।

অনুষ্ঠানের আগে, দেশব্যাপী ৩০,০০০ পাবলিক কমিটি গঠন করা হবে এবং জনসাধারণের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সংহতি অভিযান শুরু হবে।

ওই তিনদিন মিনার-ই-পাকিস্তানের সমাবেশে অংশ নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, জামায়াত যুব, নারী, কৃষক, শ্রমিক এবং অন্যান্য নিপীড়িত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের নায়েবে আমির লিয়াকত বালুচ, ড. ওসামা রাজি, সেক্রেটারি জেনারেল আমিরুল আজিমসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের অবস্থা ভয়াবহ দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, গত সাত দশক ধরে চাপিয়ে দেওয়া শাসকগোষ্ঠী দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে। সাধারণ নাগরিক মনে করেন পাকিস্তানে আর কোনও ভবিষ্যৎ নেই।তরুণরা এই দেশ নিয়ে হতাশ, কারণ এখানে কোন চাকরি নেই, কোন ভবিষ্যৎ নেই, দেশের দরিদ্রদের জন্য শিক্ষার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর