মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে
  • ট্রাম্পকে খোলা চ্যালেঞ্জ ইরানের
  • ঈদবাজারে ফুটপাতের দাপট, স্বল্প আয়ে স্বপ্নের কেনাকাটা
  • মালদ্বীপে নিহত ৫ বাংলাদেশির লাশ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে
  • চীনে আন্তর্জাতিক এগ্রোকেমিক্যাল ও ক্রপ প্রটেকশন প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে এনএসি

হার্টের সুস্থতার জন্য কোন তেল নিরাপদ? জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জুলাই ২০২৫, ১৭:৩৬

সম্প্রতি অনেক কমবয়সী মানুষ ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হার্ট-অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাসে সতর্ক না থাকলে, বাইরের তেলেভাজা, প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার, বাড়ির তেল সবই হার্টের জন্য হুমকি। শুধু বাড়ির খাবারই নয়, রান্নায় ব্যবহৃত তেল-এর ধরনও এখন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদদের মতে, হার্টের রোগ প্রতিরোধে এমন তেল বেছে নিতে হবে যা: আনরিফাইন্ড (অপরিশোধিত), স্যাচুরেটেড ও ট্রান্স ফ্যাট আইটেমে খুবই কম, মোনো- ও পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি।

এসব ফ্যাট হার্ট-বন্ধ ও স্নায়ুবিক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

নিরাপদ তেল— তিনটি প্রস্তাবিত ধরন

অলিভ তেল

এতে মোনো- এবং পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা খারাপ কোলেস্টেরল বাড়তে দেয় না।

বাদাম তেল

চিনাবাদামের তেল ট্রান্স ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটে কম, ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তবে বাদামে অ্যালার্জি আছে এমন মানুষদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সরিষার তেল

অনেকেই মনে করেন সরিষার তেল হার্টের রোগীদের উপযোগী নয়, তবে তাতে এরকম ফ্যাট যেমন বেশি, তেমন রাসায়নিক ইউরিসিক অ্যাসিডের মাত্রাও থাকতে পারে। তাই পর পর মাত্রায় ব্যবহারে সুবিধা, বিশেষ করে যারা গাঁটে ব্যথায় ভোগেন। এই তিন তেলের নিয়মিত ব্যবহার খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং তেলেভাজা এড়ালে শরীরে প্রদাহও কম হয়।

পরিমাণ-সতর্কতা

তেল স্বাস্থ্যকর হলেও, অতিরিক্ত হলে ফল বিপরীত—তেলেভাজা কিংবা বেশি পরিমাণ তেলে রান্না করলে হার্ট এর রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

তাই পরিমাণ রাখা জরুরি। পুরুষদের দৈনন্দিন রান্নায় ৪-৫ চা চামচ, মহিলাদের জন্য ৩-৪ চা চামচ তেল যথেষ্ট।

বাহ্যিক তেল, ভাজাভুজি ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে কমানো জরুরি। আনরিফাইন্ড অলিভ, বাদাম ও সরিষার তেল নিরাপদ ও উপকারী। তবে শুধু তেলের নির্বাচনে জোর না দিয়ে, পরিমাণে ও খাদ্যতালিকায় সামগ্রিক পরিবর্তন রাখতে হবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর