মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে

স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে স্বামীর আত্মহনন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জুলাই ২০২৫, ১৬:২৬

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা শহরে কৈগাড়ী মোড়ে স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে স্বামী সাব্বির হোসেন (২৬) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে শহরের ব্র্যাক অফিসসংলগ্ন ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা (ইউডি মামলা) করা হয়েছে। আজ শনিবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম।

সাব্বির হোসেন উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের কৈগাড়ী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি কৈগাড়ী মোড়ে একটি চায়ের দোকানে কাজ করতেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সাব্বির হোসেন দুই বছর আগে ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করার সময় প্রেম করে সুমাইয়া খাতুনকে (২০) বিয়ে করেন। প্রায় এক মাস আগে নিজের বাড়িতে এলে পরিবার তাদের মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

বাধ্য হয়ে স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া বাসায় উঠেন তিনি। নন্দীগ্রামে আসার পর সাব্বির হোসেন হোটেল শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালাতেন। এক সপ্তাহ আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের কারণে স্ত্রী সুমাইয়া ঢাকায় চলে যান। স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার অনেক চেষ্টা করে ব্যর্থ হন সাব্বির।

এক পর্যায়ে যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনকে ভিডিও কলে রেখেই গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁসি দেন। এ সময় সুমাইয়া খাতুন ভিডিও কল কেটে প্রতিবেশীকে ফোন করে বিষয়টি জানান। প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাব্বির হোসেনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় প্রাথমিক আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। পরে অভিযোগ না থাকায় নিহতের স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর