মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

সহনশীলতায় শত্রুও বন্ধুতে পরিণত হয়

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জুলাই ২০২৫, ১৬:২১

সহনশীলতা এক ধরনের মানবিক গুণ, যা মানুষকে শান্তিপূর্ণভাবে মিলেমিশে চলতে শেখায়। এটি সমাজে ভালোবাসা, সম্মান ও পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে তোলে। ফলে শত্রুও একসময় বন্ধুতে পরিণত হয়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সহনশীল হওয়ার নির্দেশ করেছেন।

কারো কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত আচরণের শিকার হলে, মন্দের জবাবে মন্দ না করে ভালো করার নির্দেশ দিয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘উৎকৃষ্ট দ্বারা মন্দ প্রতিহত করো; তাহলে যাদের সঙ্গে তোমার শত্রুতা আছে, সে হয়ে যাবে অন্তরঙ্গ বন্ধুর মতো।’ (সুরা : হা-মীম সিজদা, আয়াত : ৩৪)

আর যারা সহনশীল আচরণ করে, মানুষকে গুরুত্ব দেয়, সদাচরণ করে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতের সুসংবাদ। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেব না, কোন ব্যক্তির জন্য জাহান্নাম হারাম এবং জাহান্নামের জন্য কোন ব্যক্তি হারাম? যে ব্যক্তি মানুষের কাছাকাছি (জনপ্রিয়), সহজ-সরল, নম্রভাষী ও সদাচারী।

’(তিরমিজি, হাদিস : ২৪৮৮)
অনেক সময় সহনশীল থাকার কারণে মানুষকে অন্যদের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়। সহনশীলতার সুযোগ নিয়ে অনেকেই তাদের কষ্ট দেয়, ঠকায়। এর বিনিময়ে মহান আল্লাহ তাদের মর্যাদা আরো বৃদ্ধি করে দেন, তাদের সহযোগিতায় ফেরেশতা নিয়োজিত করে দেন।

আবু হুরায়রা‌ (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আমার আত্মীয়-স্বজন আছেন।

আমি তাদের সঙ্গে সদাচরণ করি; কিন্তু তারা আমাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে। আমি তাদের উপকার করে থাকি; কিন্তু তারা আমার অপকার করে। আমি তাদের সহনশীলতা প্রদর্শন করে থাকি আর তারা আমার সঙ্গে মূর্খসুলভ আচরণ করে। তখন তিনি বলেন, তুমি যা বললে, যদি প্রকৃত অবস্থা তা-ই হয়, তুমি যেন তাদের ওপর জ্বলন্ত অঙ্গার নিক্ষেপ করছ। আর সর্বদা তোমার সঙ্গে আল্লাহর তরফ থেকে তাদের বিপক্ষে একজন সাহায্যকারী (ফেরেশতা) থাকবে, যতক্ষণ তুমি এ অবস্থায় বহাল থাকবে।

’(মুসলিম, হাদিস : ৬৪১৯)
সুবহানাল্লাহ, যারা আল্লাহর জন্য নম্রতা অবলম্বন করে, সহনশীল হয় মহান আল্লাহ তাদের এভাবেই সাহায্য করেন। আল্লাহর ওপর ভরসা করে নীতির ওপর থাকা মুমিনদের হারানোর কিছুই নেই। সব অবস্থাই তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর