মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • কমলাপুরে ঈদযাত্রার ঢল
  • “শিক্ষার্থীরা হোক জীবনের যোদ্ধা”—ডা. শফিকুরের বার্তা, রাজনীতিতে সংস্কার নিয়ে নাহিদের হুঁশিয়ারি
  • হরমুজে সামরিক জোটে ‘না’ ইউরোপের—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অনাগ্রহ, কূটনীতিতেই ভরসা
  • খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার
  • ইউরোপের দেশগুলো নাকচ করলো ট্রাম্পের হরমুজ আহ্বান, কূটনৈতিক পথেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
  • শ্রাবন্তীর খোলামেলা স্বীকারোক্তি: "আইটেম গানে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে"
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

‘গবাদি পশুর রোগ নির্মূলে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
৬ জুলাই ২০২৫, ১৪:২১

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দেশের গবাদি পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ (এফএমডি) এবং লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) নির্মূলের লক্ষ্যে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

রোববার (৬ জুলাই) সকালে বাঘাবাড়ি ঘাট দুগ্ধ কারখানার সম্মেলন কক্ষে সিরাজগঞ্জ জেলার প্রাণিসম্পদ বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এফএমডি ও এলএসডি রোগ দুটি গবাদি পশুর জন্য অত্যন্ত মারাত্মক এবং ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। সেজন্য সঠিক পরিকল্পনা ও টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে এগুলো নির্মূলের দিকে এগোতে হবে।

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, আগামী কোরবানিতে কেউ যেন বলতে না পারে এলএসডি এর কারণে কোরবানির পশুর চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মাঠপর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, পাবনা-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো অজুহাত চলবে না। এজন্য কর্মকর্তা- কর্মচারীদের খামারিদের দ্বারে গিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদে সমৃদ্ধ। এসব জেলার গবাদিপশু এফএমডি ও এলএসডিমুক্ত ঘোষণা করতে হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও আন্তরিকতা ও উদ্যোগ নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. হেমায়েত হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) বেগম শামসুন্নাহার আহমদ, পরিচালক (উৎপাদন) ড. এ. বি. এম. খালেদুজ্জামান, এলডিডিপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, এলডিডিপি প্রকল্পের চীফ টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটরন মো. গোলাম রব্বানী, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ. কে. এম আনোয়ারুল হকসহ বিভিন্ন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাবৃন্দ ও ভেটেরিনারি ডাক্তারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর